টাঙ্গাইলের পাঁচ পৌরসভায় নৌকার মেয়র প্রার্থীদের জয়-জয়কার

0 77

নিউজ স্রোত:

টাঙ্গাইলের পাঁচটি পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। টাঙ্গাইল পৌরসভায় এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সখীপুর পৌরসভায় আবু হানিফ আজাদ, মির্জাপুর পৌরসভায় সালমা আক্তার শিমুল, ভূঞাপুর পৌরসভায় মাসুদুল হক মাসুদ এবং মধুপুর পৌরসভায় সিদ্দিক হোসেন খান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
টাঙ্গাইলের সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও পৌরসভা নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসার এএইচএম কামরুল হাসান জানান, টাঙ্গাইল পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এসএম সিরাজুল হক আলমগীর(নৌকা) ৬৬ হাজার ৬১৭ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›দ্বী বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক সানু(ধানের শীষ) পেয়েছেন ২২ হাজার ৯০০ ভোট।
সখীপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু হানিফ আজাদ টানা তৃতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি নৌকা প্রতীকে ৭ হাজার ৮৩৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক মেয়র সানোয়ার হোসেন সজিব জগ প্রতীকে পেয়েছেন ৭ হাজার ৫৪৪ ভোট। ২৮৯ ভোটের ব্যবধানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু হানিফ আজাদ বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হন। মির্জাপুরে নৌকা প্রতীকের সালমা আক্তার শিমুল ১২ হাজার ৪৭৮ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›দ্বী বিএনপি প্রার্থী শফিকুল ইসলাম(ধানের শীষ) ২ হাজার ৯২৪ ভোট পেয়েছেন। ভ‚ঞাপুরে নৌকা প্রতীকে আওয়ামীলীগ প্রার্থী বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়ে মেয়র পদে হ্যাট্রিক করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মাসুদুল হক মাসুদ। তিনি ৯ হাজার ৪১৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের জাহাঙ্গীর হোসেন পেয়েছেন ৪ হাজার ৪১৩ ভোট। এ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী(স্বতন্ত্র) প্রার্থী আব্দুস সাত্তার জগ প্রতীকে পেয়েছে ৩ হাজার ৭০১ ভোট।
মধুপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সিদ্দিক হোসেন খান। নৌকা প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ২৫ হাজার ৯৯২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে আব্দুল লতিফ পান্না পেয়েছেন ১ হাজার ৬৫১ ভোট। এর আগে দুপুর আড়াইটায় বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল লতিফ পান্না মধুপুর উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। তিনি প্রহসনের নির্বাচন বাতিল করে পুনঃনির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানান। উল্লেখ্য, পাঁচটি পৌরসভা নির্বাচনে ১৩ জন মেয়র প্রার্থী, ২২১ জন সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী এবং ৭৯ জন সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্ব›িদ্বতা করেন। ৯১টি কেন্দ্রের ৬৩৩টি ভোট কক্ষে সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহণ করা হয়। নির্বাচনে ৫টি পৌরসভার ৫জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ৫৪টি ওয়ার্ডে ৫৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ১৪ প্লাটুন বিজিবি, ১০টি র‌্যাবের টিম, স্ট্রাইকিং ফোর্স, মোবাইল টিম সহ পর্যাপ্ত আইনশৃংঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.