ধনবাড়ীতে শাহনাজ পারভীন রুপা প্রতারনার স্বীকার

0 30

ধনবাড়ী প্রতিনিধি ঃ

 

কপালের লিখন যায় না খন্ডন, জন্মের এক বছরের মাথায় দারিদ্রতার কারণে, বাবা-মা লালন পালন করতে না পারায় দত্তক দিয়ে দেয় দের বছর বয়সের রুপাকে এই কথা গুলো বলতে বলতে দু চোখের পানি ছেড়ে দেয় মোছাঃ শাহনাজ পারভীন রুপা, মামা, মামির কাছে বড় হতে থাকে রুপা দেখতে শুনতে ভালো হওয়ায় তার প্রতি আদর ভালোবাসার কমতি ছিলো না। যখন ১২ বছর বয়স হয় সব কিছু বুঝে উঠার আগেই ধনি বাড়ী দেখে আমাকে বিয়ে দিয়ে দেয়। সেই বিয়েতে কোন ভাবেই আমার মত ছিলো না, আমি নাবলিকা ও ছোট, বন্ধ হয়ে যায় আমার পড়া লেখা। আমার স্বামী মোঃ রোকোনুজ্জামান আমাকে আর পড়া লেখা করাবে না। সাফ জানিয়ে দেয়। পড়া লেখা নিয়ে আমাদের মাঝে দন্ড সৃষ্টি হয়। আমি রোকোনুজ্জামানকে তালাক দেই। ২০১২ সালে আমি মোহাম্মদ নগর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জি,পি,এ ৪.৬০ পেয়ে এস,এস,সি পাস করি। রোকোনুজ্জামানের এক কাছের বন্ধু মনির আমার বিয়ে বিচ্ছেদের পর থেকে নানা ভাবে প্রলোভন দেখিয়ে আমার সাথে সখ্যতা সৃষ্টি করে আমি না বুঝে তার জালে ধরা দেই, এই সুযোগে মনির কোন এক সময় এক সাদা কাগজে আমার স্বাক্ষর নেয় তার পর থেকে সবাই কে বলে বেড়ায় যে আমি তার বিয়ে করা বৌ। এভাবেই চলতে থাকে আমার জীবন। ২০১৫ সালে ধনবাড়ীর উখারিয়াবাড়ী কলেজ থেকে জি,পি,এ ৪.৬০ পেয়ে এইচ,এস,সি পাশ করি। সেখানেও আমার মামা মামির নাম ব্যবহার করি বাবা মার স্থলে। এরি মধ্যে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক স্থানীয় সরকার ইউনিয়ন পরিষদ শাখা হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়। তাতে আমি আবেদন করি। এর ফাঁকে ফেস বুকে নড়াইল জেলার এক ছেলের সাথে পরিচয় হয় এবং সামাজিক ভাবে আমাদের বিয়ে হয়। চলতে থাকে আমার নতুন জীবন আমার স্বামী কে,বি,এম সোহেল আমাকে চাকুরী করতে দিবে না সে জানায় তার সাথে আমার মনমালিন্য ঘটায় গত ০৪ (চার) মাস আগে তাকে ডিফোর্স প্রদান করি। যখন আমি জানতে পারলাম এরা আমার বাবা মা নয় এরা আমার মামা, মামি তখন বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে সংশোধনের জন্য আবেদন করি। যাহার নং- ৩২৭৬২, তাং- ০২-০২-২০২০ ইং, প্রকৃত পক্ষে আমার পিতা মোঃ ইদ্রিস আলী মন্ডল, মাতা- মোছাঃ শিউলী বেগম, যাহা সংশোধন হয়ে আসে বোর্ড থেকে। সম্প্রতি জানতে পারি মিজানুর রহমান নামে এক যুবক টাংগাইল কোর্টে আমার নামে একটা প্রতারনা মামলা দায়ের করেছে। এ বিষয়ে স্থানীয় ইউ,পি মেম্বার মোঃ নুরুল ইসলাম লিটন বলেন, মিজান নামে যে ছেলেটা শাহনাজ এর বিরুদ্ধে মামলা করেছে এর কোন ভিত্তি নেই। শাহনাজ পারভীন সহজ সরল ও নিরিহ প্রকৃতির স্থানীয় ইউ,পি চেয়ারম্যান মীর ফিরোজ আহমেদ বলেন পরিষদের চাকুরী নেওয়ার পর মেয়েটা কোন কাজে গাফিলাতি করে নাই, খুবই শান্ত প্রকৃতির তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ হয়েছে তাহা যাচাই বাচাই করতে হবে এর বেশি কিছু বলতে পারব না।

Leave A Reply

Your email address will not be published.