টাঙ্গাইলে র‌্যাবের অভিযানে ২০ কেজি গাঁজা সহ গ্রেফতার- ৩

0 10

নিউজ স্রোতঃ

 

র‌্যাব তার প্রতিষ্ঠা লগ্ন হতেই খুন, ধর্ষণ, অপহরণ, জঙ্গীদমন, ছিনতাই, চাঁদাবাজ, চুরি, ডাকাতি এবং অবৈধ মাদক ব্যবসা ও চোরাচালানসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধ করাসহ দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে অপরাধ নির্মূলে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে আসছে এবং র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল এর আওতাধীন এলাকাগুলিতে ব্যাপকভাবে সফলতা অর্জন করেছে। গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধিসহ সার্বক্ষনিক অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব ইতিমধ্যে জনগনের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ২৯/০৭/২০২০ তারিখ ভোর ৫.৩০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল এর কোম্পানী কমান্ডার সিনিঃ সহকারী পুলিশ সুপার, মোঃ রওশন আলী এর নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল টাঙ্গাইল জেলার ভূয়াপুর থানাধীন সিরাজ কান্দি গ্রামস্থ সিরাজকান্দি বাজারে জনৈক ইসমাইল খাঁন এর বন্ধ থাকা বিসমিল্লাহ বস্ত্রালয়ের সামনে পাকা রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করে ধৃত আসামী ১। মোঃ ইমাম হোসেন (৫০), পিতাঃ মৃত-জাফর আলী শেখ, সাং-সিরাজকান্দি (দক্ষিন পাড়া),থানাঃ ভূয়াপুর, জেলাঃ টাঙ্গাইল, ২। মোঃ কাঊছার মিয়া (২৮), পিতাঃ মোঃ রুস্তম আলী, সাং-গোয়াচ নগর, থানাঃ মাদবপুর, জেলাঃ হবিগঞ্জ, ৩। মোঃ মুক্তার হোসেন (২৮), পিতাঃ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, সাং-ভল্লব বাড়ী, থানাঃ কালিহাতি, জেলাঃ টাঙ্গাইলগণদের ২০ (বিশ) কেজি মাদক দ্রব্য গাঁজা, ৪টি মোবাইল ফোন এবং ৭টি সিম কার্ড সহ গ্রেফতার করেন। সাক্ষীদের সম্মুখে ধৃত আসামীগণকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা দীর্ঘদিন যাবৎ গাঁজা অবৈধভাবে সংগ্রহ পূর্বক তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলার ভূয়াপুর থানাধীন এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে গাঁজা বিক্রয় করার কথা স্বীকার করে। উপস্থিত সাক্ষী ও স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ধৃত আসামীগণ অনেক দিন যাবৎ টাঙ্গাইল জেলার ভূয়াপুর থানা এলাকাসহ আশপাশ এলাকায় বিভিন্ন মাদক সেবীদের নিকট তাদের চাহিদা অনুযায়ী মাদক গাঁজা সরবরাহ এবং যুবকদের মাদক সেবনে উদ্ভুদ্ধ করে আসছে।
র‌্যাবের এ ধরনের অবৈধ মাদক বিরোধী আভিযানিক কার্যক্রম চলমান থাকবে এবং ভবিষ্যতে আরো জোরদার করা হবে। আইন শৃংখলা বাহিনীর এ ধরনের তৎপরতা বাংলাদেশকে একটি মাদকমুক্ত দেশ হিসাবে গড়ে তুলতে পারবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।

Leave A Reply

Your email address will not be published.