ঘাটাইল মার্কেট-দোকানপাটে মানছেনা সামাজিক দূরত্ব

0 49

ঘাটাইল প্রতিনিধি:
সরকার অন্যান্য উপজেলার ন্যয় টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ দোকানপাট কিছু শর্ত সাপেক্ষে সীমিত আকারে খোলা রাখার অনুমোদন প্রদান করলেও ক্রেতা বিক্রেতারা মানছেনা সামাজিক দূরত¦, নিয়ম-কানুন। গেল রোববার (১০ মে) থেকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে প্রায় দেড় মাস বন্ধ থাকার পর দোকানপাট খোলা রাখার এই সিন্ধান্ত আসলো। এই সংক্রান্ত একটি অনুমতি পত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করেছেন ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অঞ্জন কুমার সরকার।

গত ৪ মে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের উপ সচবি মোঃ ছাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পত্রে এই অনুমতির কথা জানা যায়। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ১০মে থেকে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সীমিত আকারে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার অনুমতি প্রদান করেছে সরকার। পত্রের নির্দেশনা মোতাবেক প্রত্যেক ব্যবসা কেন্দ্রের প্রবেশ মুখে স্যানিটাইজার, হাত ধোয়ার ব্যবস্থা ইত্যাদি নিশ্চিত করতে হবে। ক্রেতা-বিক্রেতা সকলকে মাস্ক পরিধান করতে হবে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কেনাবেচা করতে হবে। এছাড়া পত্রে জানানো হয়েছে, উপজেলার লকডাউন যথানিয়মে কার্যকর থাকবে। অর্থাৎ বাইরে থেকে উপজেলায় যাতায়াত কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। তবে জরুরি প্রয়োজন না হলে দোকানপাটে না যেতে অনুরোধ করা যাচ্ছে বলে পত্রে জানানো হয়েছে।

ঘাটাইল পৌর এলাকার পুরাতন বাসস্ট্যান্ড থেকে বাজার রোড হয়ে বাজার পর্যন্ত অনেকগুলো বড় মাকেট এবং রাস্তার দুইপাশে দোকানপাট গড়ে উঠেছে। এই রোডে এবং এ সকল মাকেটগুলোতে প্রায় সাত শতাধিক দোকানপাট এবং ঘাটাইল শহরে প্রায় ২২০০ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ঘাটাইলরে পারুল প্লাজা, মরিয়ম শপিং কমপ্লেক্স, আকন্দ টাওয়ার, খলিল প্লাজা, ফালু হোসনে খান মাকেট, জাহানারা শপিং কমপ্লেক্স, জনতা শপিং কমপ্লেক্স, কাজী মোবারক মরিয়ম শপিং সেন্টার, মিশু মার্কেট, নিউ মার্কেটের দোকানগুলো করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে গত ২৬ মার্চ (বৃহস্পতিবার) থেকে যথারীতি বন্ধ ছিল। প্রায় দেড় মাস পর এইসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সীমিত আকারে খোলা রাখার সিদ্ধান্ত দিয়েছে সরকার।

সরকারি নির্দেশনা থাকলেও দোকানদার ও ক্রেতা সাধারণ মানছেনা সামাজিক দূরত্ব ও নিয়ম-কানুন। এ অবস্থা চলতে থাকলে পরিস্থিতি খারাপের দিকে যেতে বেশি সময় লাগবেনা বলে মতামত প্রকাশ করেছেন অনেকে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, সরকার বিশেষ বিবেচনায় দোকানপাট খোলার অনুমতি প্রদান করেছে, কিন্তু দোকানে যেতে কাউকে বাধ্য করছে না। অতএব নিজের এবং পরিবারের সুস্থ্যতার কথা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিন।

তিনি আরও জানান, আপনাদের সচেতনতা, সতর্কতা এবং সঠকি সিদ্ধান্তের জন্যই প্রিয় ঘাটাইল বাংলাদেশের যেকোন উপজেলার তুলনায় নিরাপদ ও করোনাভাইরাস (কোভিড- ১৯) সংক্রমণের মাত্রা নাই বললইে চলে। ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.