সাধারণ ছুটিতে ঘাটাইলের সরকারি কর্মকর্তারা যার যার বাড়িতে

0 63

ঘাটাইল প্রতিনিধি:
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত সরকারি অফিসের কর্মকর্তা/কর্মচারিদেরকে নিজ নিজ কর্মস্থলে থাকার নির্দেশ দিয়ে সাধারন ছুটি ঘোষনা করে প্রজ্ঞাপন দেয় জন প্রশাসন মন্ত্রালয়। প্রজ্ঞাপনে ২৪ মার্চ থেকে কয়েক দফায় বাড়িয়ে সাপ্তাহিক ছুটিসহ সর্বশেষ ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারন ছুটি ঘোষনা করা হয়। এ সুযোগে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ঘাটাইলের দু‘একটি অফিস বাদে অন্য সকল অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারি যার যার বাড়ি বা পরিবার সংশ্লিষ্টদের সাথে বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে। এতে করে দেখবাল করার দায়িত্ব প্রাপ্ত কেউ কর্মস্থল এলাকায় না থাকায় সরকারের গৃহিত কর্মসূচির কাজে নানা অনিয়ম আর দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছে সংশ্লিষ্টরা।
জানতে চাইলে বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) অঞ্জন কুমার সরকার যুগান্তরকে বলেন, সাধারন ছুটি মানে এই নয় যে,তারা যার যার বাড়িতে থাকবে। অফিস খোলা না রাখলেও তাদেরকে কর্মস্থল এলাকায় অবস্থান করতে হবে। কিন্তু জরুরী প্রয়োজনে কাউকে ফোন করলে দেখা যায় কেউ ঢাকায়, কেউ টাঙ্গাইল, আবার কেউ ধনবাড়িতে অবস্থান করছেন। সেখান থেকে আসতেও সমস্যা। আসলেও করোনা বিস্তার রোধে এটা একটা অন্তরায় হিসেবে দেখা দিবে। তিনি বলেন-তা ছাড়া প্রত্যেক কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ইউনিয়নে ভিজিডি ভিজিএফ, ১০ টাকা কেজি চালসহ বিভিন্ন কর্মসূচির কাজের ট্যাক অফিসার হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। কিন্তু তারা কর্মস্থল ত্যাগ করে অন্যত্র অবস্থান করায় তারা দায়িত্ব পালন করতে পারছেনা। এতে নানা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।
খোজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার থাকেন ঢাকায়, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন থাকেন টাঙ্গাইল সদরে, আর আনসার ভিডিবি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম থাকেন ধনবাড়িতে, ধলা পাড়া রেঞ্জ কর্মকর্তা হাবিবুল্লাহ থাকেন ময়মনসিংহে। এভাবে কৃষি কর্মকর্তা, মৎস্য কর্মকর্তা, প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা,যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, জাতীয় মহিলা সংস্থার কর্মকর্তা প্রমুখ থাকেন তাদের নিজ নিজ বাড়িতে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.