দেলদুয়ারে পোল্ট্রি শিল্পে মুরগী বিক্রেতা ও ভোক্তাদের সুৃরক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ

0 146

দেলদুয়ার প্রতিনিধিঃ

দেলদুয়ারে পোল্ট্রি শিল্পে মুরগী বিক্রেতা ও ভোক্তাদের সুৃরক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন বীজবিস্তার ফাউনডেশান ও উপজেলা ভোক্তা কমিটি। ১ এপ্রিল বুধবার উপজেলার পাথরাইল বাজারে হাত ধোয়ার জন্য পানির ট্যাপ এবং সাবানের ব্যবস্থা করেন বীজবিস্তার ফাউনডেশান ও উপজেলা ভোক্তা কমিটি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বীজ বিস্তার ফাউন্ডেশনের জেলা সমন্বয়কারী রবিউল ইসলাম চুন্নুর, উপজেলা ভোক্তা অধিকার কমিটির সহ সভাপতি সৈয়দ শহিদুল আলম বাবলূ, সাধারন সম্পাদক আব্দুল­াহ মিয়া, প্রচার সম্পাদক আমিনুর রহমান খান প্রমুখ। বীজবিস্তার ফাউনডেশান ও উপজেলা ভোক্তা কমিটি জানান, সারা বিশ্বেই করোনা ভাইরাসের মহামারীতে জন জীবন থমকে গিয়েছে। আমাদের দেশেও এ ভাইরাস দেখা দিয়েছে। সামাজিক দুরুত্ব বজায় রেখে মানুষ ঘর বন্দি হয়ে আছে। আতংকের মধ্যে দিন কাটছে তাদের। কিন্ত নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের জন্য মানুষকে বের হতে হচ্ছে হাট বাজার ,দোকান পাটে। এ ভাইরাসকে প্রতিরোধ করার জন্য ডাক্তাররা ঘন ঘন সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার কথা বলছে হাট বাজারের আগত ভোক্তাদের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে বীজবিস্তার ফাউনডেশান ও উপজেলা ভোক্তা কমিটি টাঙ্গাইল জেলার টাঙ্গাইল সদর এবং দেলদুয়ার উপজেলার কিছু হাট বাজারে নিরাপদ হাত ধোয়ার জন্য পানির ট্যাপ এবং সাবানের ব্যবস্থা করেছে। এ সব হাট বাজারে মুরগী, মাছ ও কাঁচা বাজারের ভোক্তা গন সাবান দিয়ে হাত পরিস্কার করছেন। মুরগী বিক্রেতারা মুরগী নারাচারা করার পরই ভাল করে সাবান দিয়ে হাত পরিস্কার করছেন।
এ ধরনের উদ্যোগে সাধারন মানুষ খুবই উপকৃত হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। কারন এ ভাইরাসের প্রতিরোধ করার এক মাত্র উপায় হলো ঘন ঘন সাবান দিয়ে হাত ধোয়া। ভোক্তারা বাজারে এসে সহজোই হাত ধুতে পেরে মানসিক ভাবে স্বস্তিবোধ করছেন।
এ ছাড়াও এস এম এস এর মাধ্যমে খামারী, ডিলার , মুরগী বিক্রেতাদের বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন।দোকানে অসুস্থ্য মুরগী বিক্রয় না করা এবং বিক্রি অবস্থায় কোন ধরনের এন্টিবায়োটিক ব্যবহার না করা, মুরগীর বর্জ্য নির্ধারিত জায়গায় ফেলা এবং কাজ শেষে প্রতি দিন জীবানু নাশক দিয়ে দোকান পরিস্কার করার কথা বলছেন। নিরাপদ মুরগী উৎপাদনে খামারীদের মুখে মাস্ক,হ্যান্ড গেøাভস , পায়ে বুট ও নির্ধারিত পোষাক ছাড়া খামারে প্রবেশ না করা, কাজের আগে ও পরে ভাল ভাবে হাত পরিস্কার করা। এবং খামারের প্রবেশ পথে ফুটবাথে পা পরিস্কার করে খামারে প্রবেশ করা। এবং খামারীদের যে কোন পরামর্শের জন্য প্রাণী সম্পদ দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করার কথা বলছেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.