প্রশাসনের অনুমতির তোয়াক্কা না করেই মির্জাপুরে বিজয় মেলার নামে চলছে রমরমা জুয়া

lead-pic-copy

lead-pic-copyসংবাদ স্রোত ঃ প্রশাসনের অনুমতির তোয়াক্কা না করেই বিজয় মেলায় চলছে রমরমা জুয়া খেলা। মির্জাপুর শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে মাস ব্যাপি আয়োজিত বিজয় মেলায় বসছে লটারী নামক অত্যাধুনিক জুয়া। জেলা প্রশাসনের অনুমতি ব্যতিত কিভাবে ১ ডিসেম্বর থেকে বসছে বিজয় মেলায় এই জুয়ার আসর এ নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ উপজেলার সুধীমহল। মহান স্বাধীনতার নাম যুক্ত করে মেলায় জুয়া পরিচালনাকারিদের খুঁটির জোড় কোথায় জানতে চায় এ উপজেলার সর্বমহল।

জানা যায়, মির্জাপুর শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে মাস ব্যাপি বিজয় মেলা। মির্জাপুর উপজেলা পরিষদ আয়োজিত এ মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মীর এনায়েত হোসেন। মেলা পরিচালনায় রয়েছেন মির্জাপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি হাজী মোঃ আবুল হোসেন।
উপজেলার সুধীমহলের অভিযোগ, ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের স্বাধীনতা। তাই এ স্বাধীনতা উদযাপনে আমাদের থাকতে হবে শ্রদ্ধাবোধ, সভ্যতা আর বিনম্রতা। বিজয়ের আনন্দ উপভোগে হতেই পারে বিজয় মেলা। তবে সামাজিকতা বিনষ্টের মত কিছুই থাকবেনা ওই মেলা প্রাঙ্গণে। এ স্বত্তেও উপজেলায় আয়োজিত বিজয় মেলায় চলছে লটারি নামক জুয়া। স্বাধীনতার নাম যুক্ত করে চলছে এ কেমন বর্বরতা এমন প্রশ্নেই জর্জরিত উপজেলা সুধীমহল। এ ধরণের বর্বরতা বন্ধে দ্রুত জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
বিজয় মেলা পরিচালনা কমিটির পরিচালক ও মির্জাপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি হাজী মোঃ আবুল হোসেন জানান, মেলার অনুমতি চেয়ে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি প্রাপ্তির আবেদন করা হয়েছে। প্রশাসনিক অনুমতি ব্যতিত কিভাবে তিনি এ মেলা শুরু করলেন এমন প্রশ্নে তিনি জানান, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়রের মৌখিক অনুমতিতে শুরু করা হয়েছে এই মেলা। তবে বিজয় মেলায় কিভাবে লটারি নামক এ জুয়া চালানো হচ্ছে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সকল দপ্তরকে ম্যানেজ করে আর মেলা জমিয়ে তোলার জন্য এ লটারি চালানো হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক খান মোঃ নুরুল আমিন বলেন, মির্জাপুরে বিজয় মেলা উদযাপনের কোন অনুমতি দেয়া হয়নি। তবে অনুমতি ব্যতিত কিভাবে এ মেলা পরিচালিত হচ্ছে সে বিষয়টি দেখবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

*

*

Protected by WP Anti Spam

Top